
মানিকগঞ্জ,৬ ফেব্রুয়ারি
যমুনা নদীর তীরে আরিচা ঘাট টার্মিনালে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো সর্বকালের বৃহৎ নির্বাচনী জনসমাবেশ। মানিকগঞ্জ–১ (শিবালয়, ঘিওর ও দৌলতপুর) সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ডা. আবু বকর সিদ্দিক সমাবেশে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও চাঁদাবাজি–সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে ডা. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, মানিকগঞ্জ–১ এলাকাকে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত করার পাশাপাশি আরিচা ঘাটকে কেন্দ্র করে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। তিনি পদ্মা–যমুনার ভয়াবহ নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধানে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত তেওতা জমিদার বাড়িকে কেন্দ্র করে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
শিবালয় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর হাফেজ হাতেম আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা উত্তরাঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ জাহিদুর রহমান।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ কামরুল ইসলাম, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ জাকিরুল ইসলাম খান, জেলা শিবিরের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান এবং শিবালয় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু তালেব।
মাওলানা মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, “জামায়াতে ইসলামী দেশের সকল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সম্ভাবনাময় রাষ্ট্রে পরিণত করবে, যে বাংলাদেশ বিশ্ব রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেবে।”
মুহাম্মাদ জাহিদুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশকে নতুন অধ্যায়ে নিয়ে যেতে হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়া সময়ের দাবি।”
সমাবেশে ডা. আবু বকর সিদ্দিক আরও বলেন, “আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আমি দুর্নীতি করবো না এবং কাউকেও দুর্নীতি করতে দেব না—এই অঙ্গীকার করছি।”
সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল আরিচা ঘাট এলাকা প্র
দক্ষিণ করে।
